জয় বাংলা বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম
"দুনিয়ার মজদুর এক হও, বাংলার মেহনতি মানুষ এক হও"
জয় বঙ্গবন্ধু

 

 

 

আদর্শ ও উদ্দেশ্য

 

ক) জাতীয়তাবাদ, ধর্মনিরপেক্ষতা, গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র তথা শোষণহীন সমাজ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে শ্রমিক কর্মচারী ও মেহেনতী মানুষকে সচেতন ও সংগঠিত করা।

 

খ) শ্রমিক কর্মচারীদের অন্ন, বস্ত্র, শিক্ষা, চিকিৎসা ও বাসস্থান সহ তাদের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠিত করার জন্য সংগ্রাম করা।

 

গ) শ্রমিক শ্রেণীর উপর সকল প্রকার দেশী ও বিদেশী শোষণের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করা।

 

ঘ) মালিকানা নির্বিশেষে এবং Informal Sector –এর শ্রমিকদের জন্য জাতীয় ন্যুনতম মজুরী ঘোষণা ও তা বাস্তবায়নের যথাযথ ব্যাবস্থা গ্রহণ করা।

 

ঙ) শ্রমিক কর্মচারী তথা দেশের মেহেনতী মানুষের সামাজিক ,অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতি অধিকার প্রতিষ্ঠিত করার জন্য সংগ্রাম করা।

 

চ) দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব সুসংহত করা।

 

ছ) আভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক প্রক্রিয়ায় শোষণ ও ষড়যন্ত্র প্রতিহত করিয়া দেশকে শিল্পায়িত করা এবং সার্বিক উন্নয়নে দেশপ্রেমিক ও প্রগতিশীল শ্রমিক সংঠনের সহিত সহযোগিতা করা।

 

জ) ট্রেড ইউনিয়নসমুহের মধ্যে ঐক্য সঙ্ঘতি ও ভ্রাতৃত্ববোধ সৃষ্টি করা।

 

ঝ) বিশ্বের সকল দেশের শ্রমিক কর্মচারীসহ মেহেনতি মানুশের স্বার্থে এবং ট্রেড ইউনিয়নসমুহের সাথে সঙ্ঘতি ও ভ্রাতৃত্ববোধ সৃষ্টি করা এবং তাহাদের ট্রেড ইউনিয়ন ফেডারেশনের সাথে ঘনিষ্ট ও সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক স্থাপণ করা। আন্তর্জাতিক ট্রেড ইউনিয়ন সংগঠনের সহিত অন্তর্ভুক্ত ও এসোসিয়েট হওয়া এবং বিশ্বের শ্রমিক কর্মচারীসহ মেহেনতী মানুষের ন্যায়সংগত অধিকার প্রতিষ্ঠান ব্যপারে তাহাদের সহিত সহযোগিতা করা ও সমর্থন করা।

 

ঞ) উৎপাদন এর সার্থে শ্রমিক কর্মচারী এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মধ্যে সুষ্ঠু ও সৌহার্দ্যমুলক সম্পর্ক গড়িয়ে তোলার উদ্দেশ্যে শিল্প প্রতিষ্ঠান, কলকারখানা ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠান পরিচালনায় শ্রমিক কর্মচারীদের প্রতিনিধিত্বের জন্য প্রচেষ্টা চালানো।

 

ট) মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও মূল্যবোধ সমুন্নত রাখার জন্য নিরলস প্রয়াস চালানো।

 

ঠ) শ্রমিক কর্মচারীদের স্বার্থ কর্তৃপক্ষের সহিত দর কষাকষি করা, শ্রমিক কর্মচারীদের ট্রেড ইউনিয়ন ও গণতান্ত্রিক অধিকারসমূহ আদায়ের প্রশ্নে আন্দোলোন গড়িয়া তোলা।

 

ড) বর্তমান বাজার দরের সহিত সামঞ্জস্যপূর্ণ শ্রমিক কর্মচারী ও মেহেনতি মানুষের জীবনধারণ উপযোগী বেতন, মঞ্জুরী, ভাতা, বোনাস, চাকরির স্থায়িত্ব, ও নিরাপত্তা, কাজের সুষ্ঠু পরিবেশ, সাস্থ্য ও নিরাপত্তা বীমা, বৃদ্ধ বয়সে পেনশন, দুর্ঘটনায় পর্যাপ্ত ক্ষতিপূরণ, গ্রাচুইট , মৃত্যুর পর পরিবারের একজজনকে চাকুরি দেওয়ার চেষ্টা করা।

 

ঢ) শ্রমিক কর্মচারীসহ মেহেনতি মানুষের স্বার্থে আইন প্রনয়ণের প্রচেষ্টা চালানো।

 

ণ) শ্রম আদালত, শিল্প শ্রম সম্পর্কিত বিভিন্ন কমিটি ও কমিশন , বেতন, কমিশন, মঞ্জুরী কমিশন প্রভৃতি ক্ষেত্রে শ্রমিকদের পক্ষ হইতে যুক্তিসংগত বক্তব্য পেশ ও প্রতিনিধিত্ব করা।

 

ত) শ্রমিক শ্রেণীর সকল পশ্চাৎপদ অংশে রিক্ষরতা দূর করার অভি্যান, শ্রমিকদের দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ দান,স্থাণে স্থানে শ্রমিক কল্যাণ কর্মসূচী সম্প্রসারণ ও পরিচালনা কাজে উদ্যোগ গ্রহণ ও কার্যকারী ব্যাবস্থা গ্রহণ করা।

 

থ) শ্রমিক কর্মচারী ও মেহেনতী মানুষের মধ্যে সমবাত প্রতিষ্ঠান গড়িয়া তাদের জিবনের মান উন্নয়ন ও আর্থিক স্বচ্ছলতা ব্যবস্থা করা,সংঠনের স্বার্থে ও প্রয়োজনে সমবায় দোকান/সমবায় প্রতিষ্ঠান কোড়া।

 

দ) সংগ্রামরত বিশ্বের শ্রমিক শ্রেণীর সংরামের সহিত সংহতি জ্ঞাপন করা এবং বিশ্বে শান্তি ও জাতিতে জাতিতে মৈত্রীর জন্য এবং নিজেদের সমাজ প্রগতির জন্য দেশের মেহেনতি মানুষের মধ্যে আন্দোলন গড়িয়া তোলা।

 

ধ) নারী শ্রমিকদের সমকাজে সমমজুরী নিশ্চিত করা,নারী শ্রমিকদের সংঠীত করার জন্য নিরলস প্রচেষ্টা চালানো,রাষ্ট্র,সমাজ,পরিবার ও প্রতিষ্ঠানে নারী শ্রমিকদের সমান অধিকার নিসচিত করা। জন জীবনের স্ররবস্তর হইতে দুর্নীতির মূল উৎপাটনের জন্য সংগ্রাম চালিয়ে যাওয়া, সাম্প্রদায়িকতা, আঞ্ছলিকতা, সাম্প্রদায়িক উগ্রজঙ্গীবাদী তৎপরতা, ও সঙ্কীর্ণতাবাদী বিপদ সম্পর্কে শ্রমজীবী মেহেনতি মানুশকে সচেতন করা।

 

ন) উপরোক্ত লক্ষ্য ও আদর্শ বাস্তবায়নের জন্য আলাপ আলোচনা ,জনমত সংঠন এবং অন্যান্য গণতান্ত্রিক পদক্ষেপ গ্রহণ করা।এই বিষয়ে আইনের বাঁধা নিষেধ মানিয়া চলা।

 

প) সদস্যদেরকে ট্রেদ ইউনিয়নের নিয়ম-কানুন,প্রচলিত আইন অনুযায়ী প্রাপ্ত সুযোগ সুবিধা এবং সমাজ সচেতন করার জন্য শিক্ষামুলক কার্যক্রম, সেমিনার,মটিভেশনসহ বিভিন্ন কর্মসূচী গ্রহণ করা।

 

ফ) যুব শ্রমিকদের ট্রড ইউনিয়ন সংঠিত করার জন্য কার্জকর ও অর্থবহ পদক্ষেপ গ্রহণ করা।

 

ব) দেশের বিরাজমান বাস্তবতার আলোকে Informal Sector এর শ্রমিকদের সংঠিত করার জন্য সর্বশক্তি নিয়োগ করা।